মমতা দিল্লিতে মোদিকে হটাতে !

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: কলকাতা ধর্না মঞ্চ থেকেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, এর পরের আন্দোলন হবে দিল্লিতে। গতকাল সেই কর্মসূচির কেন্দ্রীয় ভূমিকায় ছিলেন মমতা। লক্ষ্য একটাই এই মোদি সরকারকে হটাতে হবে।

গতকাল মোদিবিরোধী ধর্নায় মমতার পাশে যোগ দিয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান নেতা ফারুক আব্দুল্লাহ, সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সিতারাম ইয়েচুরিসহ অন্যান্য দলের প্রতিনিধিরা। এনডিটিভি।

মমতা গতকাল বলেন, রাজ্যের রাজনীতিকে কংগ্রেস ও বাম আমাদের প্রতিপক্ষ কিন্তু কেন্দ্রের রাজনীতি মোদি সরকার হটাতে আমরা একসঙ্গে কাজ করে যাব। রাজনীতিক বিশ্লেষকদের মতে গতকাল এটি ছিল মমতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। এ দিকে ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা সবাই প্রধানমন্ত্রী হতে চাই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী পরে হবেন। আগে এই সরকারকে হটান। মোদি সরকাররের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির কড়া সমালোচনা করে এই নেতা আরও বলেন, আমরা কি হিন্দু বা মুসলমান কাউকে বলি এটা খাবেন না ওটা করবেন না? মুসলমানদের বলা হচ্ছে এই দেশে থাকতে হলে আমাদের কথা শুনতে হবে। আমি এই হিন্দুদের জিজ্ঞাসা করি, এই দেশটা কি আপনার বাপের? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল সকালে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানান।

এর পর সংসদের সেন্ট্রাল হলে বলেন, গান্ধীজি গণতন্ত্রের প্রতীক। তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে মোদি হটাও, দেশ বাঁচাওয়ের ডাক দিয়েছি আমরা। আমরা মনে রাখব, সোনিয়াকে মমতা : সারদা কেলেঙ্কারি মামলায় মমতা ও তার দলের কয়েকজন নেতার ভূমিকা নিয়ে লোকসভায় মুখ খুলেছিলেন কংগ্রেস নেতা অধীরঞ্জন চৌধুরী। আর তাতেই রেগে গিয়ে মমতা সোনিয়া গান্ধীকে বলেন, মনে রাখব! আমরা সব মনে রাখব। সনিয়া শান্তভাবে মমতাকে বলেন, আমরা একে অন্যকে দোষারোপ করছি বটে কিন্তু আমরা আসলে রাজনৈতিক বন্ধু।

Leave a Reply

Your email address will not be published.