ভারতের পশ্চিমবঙ্গে করোনা বিধি-নিষেধ: স্কুল বন্ধ, রাতে কারফিউ

অনলাইন ডেস্ক :

 

করোনাভাইরাস সংক্রমণ আবারো বেড়ে যাওয়ায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। জানা গেছে, মমতা ব্যানার্জির রাজ্যে রাতে কারফিউ, স্কুল আবার বন্ধ করা, সব অফিসে ৫০ শতাংশ জনবল নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

 

আজ সোমবার থেকে এসব নিয়ম কার্যকর করা হবে সেখানে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

 

এদিকে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনসহ দৈনিক করোনা শনাক্তের হার পশ্চিমবঙ্গে বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

 

গত শনিবার ওই রাজ্যে চার হাজার ৫১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ফলে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা পৌঁছে ১৩ হাজার ৩০০-তে। এই সংখ্যা মহারাষ্ট্র ও কেরালার পরে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ।

 

প্রসঙ্গত, ৮৮ হাজার ৭৫২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা ৯ কোটির কিছু বেশি। এটি ভারতের চতুর্থ জনবহুল রাজ্য। ওই রাজ্যে ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয়েছে ২০ জনের শরীরে।

 

হরিয়ানা, দিল্লি ও উত্তর প্রদেশের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পশ্চিমবঙ্গ রাত ১০টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করেছে। এই সময় শুধু অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা চালু থাকবে। বন্ধ থাকবে রাজ্যের সব স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, সুইমিং পুল, জিম, স্পা এবং বিউটি সেলুন। রাজ্যের মুখ্য সচিব এইচ কে দ্বিবেদী বলেন, ‘সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলোকে ৫০ শতাংশ জনবল নিয়ে কাজ করতে হবে। বাড়িতে থেকে কাজ করাকে যতটা সম্ভব উৎসাহিত করা হবে।

 

কলকাতা মেট্রো (পাতাল রেল) পরিষেবাও অর্ধেক চালু থাকবে। স্থানীয় ট্রেনগুলো শুধু সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলতে পারবে। বিপণিবিতান সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকতে পারবে। তবে ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা অবশ্যই ৫০ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। বিয়ে ও অন্যান্য সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ৫০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বা দাফনের জন্য জমায়েত ২০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
সূত্র: এনডিটিভি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.