প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ৩, ২০২৬, ১২:২৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১২:২২ এ.এম
বাইকের মাইলেজ হঠাৎ করে কমে যাওয়ার কারণ কী
মটো কর্নার ডেস্ক :
আজকাল বাইক ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মাইলেজ। বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান জ্বালানির দামের বাজারে বাইক থেকে সেরা মাইলেজ পাওয়া এখন অনেকের কাছেই চ্যালেঞ্জ। তবে কিছু সহজ বিষয় মেনে চললেই বাইকের পারফরম্যান্স যেমন বাড়বে, তেমনই জ্বালানির সাশ্রয়ও হবে।বাইক চালানোর অভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে মাইলেজ বাড়ানো বা কমে যাওয়ার আসল কারণ।
হঠাৎ ব্রেক, অপ্রয়োজনীয় রেভ, দীর্ঘক্ষণ ক্লাচ চেপে রাখা—এসব ছোট ছোট ভুলেই মাইলেজ কমে যায়। আবার সঠিক গিয়ার ব্যবহার ও মসৃণ গতিতে চালালে মাইলেজ অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।মাইলেজের ক্ষেত্রে পেট্রলের গুণগতমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভালো মানের পেট্রল না হলে ইঞ্জিনের ভেতরে কার্বন জমে যায়, ফলে ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা কমে যায়।এর সরাসরি প্রভাব পড়ে মাইলেজে। তাই নির্ভরযোগ্য পাম্প থেকেই জ্বালানি নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।ইঞ্জিন অয়েল ও এয়ার ফিল্টারের দিকেও সমানভাবে নজর দেওয়া জরুরি। নির্দিষ্ট সময় অন্তর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন না করলে ইঞ্জিনে ঘর্ষণ বাড়ে, যার ফলে জ্বালানি বেশি খরচ হয়।একই সঙ্গে এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার না থাকলে ইঞ্জিন ঠিকমতো বাতাস পায় না, কমে যায় মাইলেজ।সময়মতো বাইক সার্ভিসিং করাও অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই ছোটখাটো সমস্যাকে গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যান। কিন্তু সেটাই ধীরে ধীরে বড় সমস্যায় রূপ নেয়। নিয়মিত সার্ভিসিং করলে ইঞ্জিন, ব্রেক ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ ভালো থাকে এবং মাইলেজ বজায় থাকে।
এই বিষয়ে বাইক বিশেষজ্ঞ রুপম ইসলাম জানান, বাইকের টায়ার প্রেসার ঠিক রাখা মাইলেজের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুই সপ্তাহ অন্তর টায়ারের এয়ার প্রেসার পরীক্ষা করা উচিত। কম প্রেসারে টায়ার থাকলে ইঞ্জিনকে বেশি চাপ নিতে হয়, ফলে জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। এই ছোট ছোট বিষয় মেনে চললেই বাইক থেকে ভালো মাইলেজ পাওয়া সম্ভব।