কুষ্টিয়া শহরের চাঁদাগাড়া মাঠে জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট, বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়!

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া :  কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং চাঁদাগাড়া এলাকার কুরবানির পশুর হাট এখন যেন ঈদ আনন্দের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে,সোমবার দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটজুড়ে ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়, কোলাহল আর উৎসবমুখর পরিবেশ।


মোটরসাইকেলে করে বাবা তার ছেলে-মেয়েকে নিয়ে হাটে যাচ্ছেন। কেউ রিকশা কিংবা অটোরিকশায়, আবার অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে হেঁটেই হাটে প্রবেশ করছেন।হাটে নারী উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। কোথাও স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে পশু দেখতে এসেছেন, কোথাও আবার মা সন্তানদের নিয়ে ঘুরছেন পছন্দের গরু বা ছাগল কিনতে। পুরো পরিবেশজুড়ে ছিল ঈদের আনন্দ আর হাসিখুশি আমেজ।

অনেক ক্রেতাকেই দেখা গেছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পশু পছন্দ করতে,দরদাম শেষে হাসিমুখে পশু কিনে ফিরেছেন অনেকে। বিক্রেতাদের মাঝেও ছিল সন্তুষ্টির ছাপ। তাদের ভাষ্য, এবারের বাজারে ক্রেতাদের আগ্রহ ভালো এবং দাম নিয়েও বড় ধরনের অসন্তোষ নেই।হাটে আসা অধিকাংশ মানুষই কুষ্টিয়া শহরের পরিচিত মুখ। অনেকেই পরিবার নিয়ে শুধু পশু কিনতেই নয়, ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতেও এসেছেন বলে মনে হয়েছে।


ছাগল বিক্রি করতে আসা হাসেম  বলেন, এই হাটে ক্রেতার উপস্থিতি ভালো, দুপুরের পর থেকেই মানুষজন পরিবার নিয়ে আসছে। আমার ছাগলগুলোও ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই মোটামুটি সন্তুষ্ট,অন্যদিকে ৮০ হাজার টাকায় একটি ছোট গরু কিনে খুশি প্রকাশ করেন রানাতিনি বলেন,এই বাজার ঘুরে দেখলাম দাম তুলনামূলক সহনীয়। পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছিলাম। পছন্দের গরুটা কিনতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের মতে, কুরবানির পশুর হাট শুধু কেনাবেচার জায়গা নয়, এটি এখন ঈদকে ঘিরে মানুষের আবেগ, আনন্দ আর পারিবারিক বন্ধনেরও এক বড় আয়োজন। কুষ্টিয়ার শহরে চাঁদাগাড়ার মাঠে হাটজুড়ে ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়, কোলাহল আর উৎসবমুখর পরিবেশ।